কাহালুতে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী জামাইবরণ মেলা। গত বুধবার উপজেলার
নারহট্ট ইউনিয়নের ভেঁপড়া ও কুশলীহরে এই মেলার অয়োজন করা হয়েছে। জ্যৈষ্ঠের
মাসব্যাপী উপজেলার ৫০টি এলাকায় বসবে জামাইবরণ মেলা। নতুন-পুরাতন জামাই এবং
আত্মীয় স্বজনকে নিমন্ত্রণ করে খাওয়ানো হবে মেলার দিনগুলোতে। শত বছর ধরে
উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় এসব মেলার আয়োজন করা হয়।
আবহমান কাল ধরেই মেলার এক সপ্তাহ আগে থেকে গ্রামে গ্রামে লাল নিশান উড়িয়ে ঢাকঢোল বাজিয়ে অর্থ আদায় করেন মেলার আয়োজকরা। এরপর নির্ধারিত দিনে বিভিন্ন মাঠে আয়োজন করা হয় মেলার। সেখানে বিক্রি হয় মৌসুমী ফল। বসে হরেক রকম মিষ্টান্নের দোকান। এ ছাড়া শিশু-কিশোরদের জন্য মেলায় নাগরদোলা ও চরকি বসানো হয়। নারী-শিশুদের জন্য প্রসাধনী ও খেলনার দোকানও বসে সারি বদ্ধভাবে। এ ছাড়ায় মেলায় আগত নারী-পুরুষদের বিনোদনের জন্য আয়োজন করা হয় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা, পাতাখেলা ও চালুন খেলা।
স্থানীয়রা জানায়, গ্রামভিত্তিক অর্ধশত মেলা বসলেও বগুড়া সদর ও কাহালু উপজেলার সীমান্তের দাঁড়িয়াল মেলাটি পুরো জেলার মধ্যে ঐতিহ্যবাহী। প্রতিবছর জ্যৈষ্ঠ মাসের দ্বিতীয় রোববার আয়োজন করা হয় এই মেলার। হাতপাখা ও কাঠের তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী ছাড়াও, মাটির হাঁড়ি-পাতিল, মিষ্টান্ন, মৌসুমী ফল আর হরেক রকম মসলা কেনা বেচা হয় এই মেলায়।
নারহট্ট গ্রামের ষাটোর্ধ্ব জয়নাল প্রামাণিক জানান, পূর্ব পুরুষের আমল থেকেই তারা এমন মেলার আয়োজন দেখে আসছেন। মূলত আগের দিনে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে অনাবৃষ্টির কারণে গ্রামে গ্রামে নিশান উড়িয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে নৃত্য ও লাঠিখেলার মাধ্যমে চাল সংগ্রহ করা হতো। সেই চাল দিয়ে নির্ধারিত দিনে খাবারের আয়োজন করা হতো। খাওয়ার পাশপাশি চলত বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা। কালক্রমে সেই খাওয়ার অনুষ্ঠানে জামাই-মেয়েদের নিয়ে উৎসব আয়োজনের রেওয়াজ চালু হয়েছে।
আবহমান কাল ধরেই মেলার এক সপ্তাহ আগে থেকে গ্রামে গ্রামে লাল নিশান উড়িয়ে ঢাকঢোল বাজিয়ে অর্থ আদায় করেন মেলার আয়োজকরা। এরপর নির্ধারিত দিনে বিভিন্ন মাঠে আয়োজন করা হয় মেলার। সেখানে বিক্রি হয় মৌসুমী ফল। বসে হরেক রকম মিষ্টান্নের দোকান। এ ছাড়া শিশু-কিশোরদের জন্য মেলায় নাগরদোলা ও চরকি বসানো হয়। নারী-শিশুদের জন্য প্রসাধনী ও খেলনার দোকানও বসে সারি বদ্ধভাবে। এ ছাড়ায় মেলায় আগত নারী-পুরুষদের বিনোদনের জন্য আয়োজন করা হয় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা, পাতাখেলা ও চালুন খেলা।
স্থানীয়রা জানায়, গ্রামভিত্তিক অর্ধশত মেলা বসলেও বগুড়া সদর ও কাহালু উপজেলার সীমান্তের দাঁড়িয়াল মেলাটি পুরো জেলার মধ্যে ঐতিহ্যবাহী। প্রতিবছর জ্যৈষ্ঠ মাসের দ্বিতীয় রোববার আয়োজন করা হয় এই মেলার। হাতপাখা ও কাঠের তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী ছাড়াও, মাটির হাঁড়ি-পাতিল, মিষ্টান্ন, মৌসুমী ফল আর হরেক রকম মসলা কেনা বেচা হয় এই মেলায়।
নারহট্ট গ্রামের ষাটোর্ধ্ব জয়নাল প্রামাণিক জানান, পূর্ব পুরুষের আমল থেকেই তারা এমন মেলার আয়োজন দেখে আসছেন। মূলত আগের দিনে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে অনাবৃষ্টির কারণে গ্রামে গ্রামে নিশান উড়িয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে নৃত্য ও লাঠিখেলার মাধ্যমে চাল সংগ্রহ করা হতো। সেই চাল দিয়ে নির্ধারিত দিনে খাবারের আয়োজন করা হতো। খাওয়ার পাশপাশি চলত বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা। কালক্রমে সেই খাওয়ার অনুষ্ঠানে জামাই-মেয়েদের নিয়ে উৎসব আয়োজনের রেওয়াজ চালু হয়েছে।
0 comments: