সোমবার, ৬ জুন, ২০১৬
কাহালুতে নির্বাচন পরবর্তী বিভিন্ন স্থানে মারপিট দোকান ও বসত বাড়িতে হামলায় আহত-১০ জন
কাহালু উপজেলার ৮ ইউপি নির্বাচনের পর কালাই ইউপির পিলকুঞ্জ, ঝাঞ্জারপাড়া,
মালঞ্চ ইউপির এরুইল ও মুরইল ইউনিয়নের ওলাহালী এলাকায় চেয়ারম্যান ও মেম্বার
প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটে। দোকান ও বসত বাড়িতে হামলা ও
ভাংচুরের ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে দিনভরই
কাহালু থানা পুলিশ ছিলো বাস্ত। জানা গেছে কালাই ইউনিয়নের বিএনপির পরাজিত
প্রার্থী জাহেদুর রহমানের সমর্থকরা গত রবিবার পিলকুঞ্জ বাজারে মোহাম্মদ
আলীর হোটেলে ব্যপক তান্ডব চালিয়েছে। বিভিন্ন মালামাল ভাংচুরসহ ক্যাশ বাক্স
থেকে লুট করেছে প্রায় ১৪ হাজার টাকা।স্থানীয় দোকানদারসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের
লোকজনকে দেওয়া হচ্ছে নানা হুমকি। গতকাল সোমবার পিলকুঞ্জ বাজারে অনেকে ভয়ে
দোকানপাট খোলেনি। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে দোকানপাট খোলা হয়। তবে
হুমকি দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন পরাজিত প্রার্থী জাহেদুর রহমান। এদিকে
সোমবার পিলকুঞ্জ চকপাড়ার পরাজিত মেম্বার প্রার্থী ও ঝাঞ্জারপাড়ার বিজয়ী
মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কয়েক দফা মারপিটের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় আহত
হয়েছে বাবলু, মোসলেম, রিমা অপেলা, জিল্লুরসহ কয়েকজন। ঝাঞ্জারপাড়ার কয়েকটি
বাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। কালাই ইউপির অশান্ত পরিবেশ শান্ত করতে বিভিন্ন
গ্রামে ছুটে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবু তাহের সরদার হান্নান। অপরদিকে
মালঞ্চ ইউপির এরুইল পরাজিত মেম্বার প্রার্থী নজরুলের ও বিজয়ী প্রার্থী
জাহাঙ্গীরের সমর্থকদের মধ্যে এরুইল বাজারে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় বেশ
কয়েক জন গুরুত্বরভাবে আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে মুরইল ইউপির ওলাহালী
গ্রামেও মারপিটের ঘটনা পাওয়া গেছে। কাহালু থানার ওসি নুর এ আলম সিদ্দিকী
জানান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। কেউ আইন-শৃঙ্খলা
পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।
কাহালুর ৮টি ইউনিয়নে ৩৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান
২৮ মে কাহালু উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন
সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে আওয়ামীলীগ-৩, বিএনপি-৩
ও আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী-২ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। কাহালুর ৮টি ইউনিয়নে
বেসরকারী ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যাহারা বীরকেদার ইউনিয়নে ছেলিম
উদ্দিন (বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীকে ৫ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন,
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী মোসলেম উদ্দিন (স্বতন্ত্র জামায়াত) চশমা
প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৪ শত ৩৪ ভোট, সিদ্দিকুল আলম মামুন (স্বতন্ত্র
জাসদ) আনারস প্রতীকে ৩ হাজার ৩ শত ৪৯ ভোট, টি এম ছানাউল্লাহ তালুকদার ঝিলু
(আওয়ামীলীগ) নৌকা প্রতীকে ১ হাজার ৮ শত ৪৮ ভোট। কালাই ইউনিয়নে আবু তাহের
সরদার হান্নান (আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী) মোটর সাইকেল প্রতীকে ৪ হাজার ২শত ১১
ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী জাহেদুর
রহমান (বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৯ শত ২৫ ভোট, রুবেল
হোসেন ( আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী) আনারস প্রতীকে ৩ হাজার ৮ শত ৯৮ ভোট, শামীম
খন্দকার (আওয়ামীলীগ) নৌকা প্রতীকে ১ হাজার ৪ শত ১১ ভোট। পাইকড় ইউনিয়নে মিটু
চৌধুরী (আওয়ামীলীগ) নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৭ শত ৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত
হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী আমজাদ হোসেন (বিএনপি বিদ্রোহী )
আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ১ শত ৭৩ ভোট, বদিউজ্জামান তাপস (বিএনপি)
ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৫ শত ৫০ ভোট, নাছির উদ্দিন নান্নু
(আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী) আটোরিক্রা প্রতীকে ১ হাজার ২ শত ৬০ ভোট, আব্দুস
সাত্তার (স্বতন্ত্র ) মোটর সাইকেল প্রতীকে ৮ শত ৪৫ ভোট। নারহট্র ইউনিয়নে
(আওয়ামীলীগ) নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৭ শত ৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার
নিকটতম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী আব্দুল মোমিন (বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীকে
পেয়েছেন ৫ হাজার ৭ শত ৬৫ ভোট, মাওঃ শহীদুল্লাহ (স্বতন্ত্র জামায়াত) আনারস
প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ২ শত ৪৯ ভোট। মুরইল ইউনিয়নে হারেজ উদ্দিন
(আওয়ামীলীগ) নৌকা প্রতীকে ৬ হাজার ৪ শত ১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার
নিকটতম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী আ খ ম তোফাজ্জল হোসেন আজাদ (বিএনপি) ধানের
শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৩ শত ৮৫ ভোট, সৈয়দ মকিবুল ইসলাম বুলু
(আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী) আনারস প্রতীকে ১ হাজার ২৫ ভোট, শাহিনুর আলম
(স্বতন্ত্র) মোটর সাইকেল প্রতীকে ৪ শত ১৮ ভোট। কাহালু সদর ইউনিয়নে পি এম
বেলাল হোসেন (আওয়ামীলীগ বিদ্রোহী) ঘোড়া প্রতীকে ৫ হাজার ৩ শত ৭৬ ভোট পেয়ে
নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী এনামুল হক মিঠু
(আওয়ামীলীগ) নৌকা প্রতীকে ৩ হাজার ৮ শত ৬৭ ভোট, আব্দুল মোমেন (স্বতন্ত্র
জামায়াত) আনারস প্রতীকে ২ হাজার ২ শত ১৬ ভোট, আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান
(বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৩ শত ৬১ ভোট। জামগ্রাম ইউনিয়নে আলমগীর
আলম কামাল (বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীকে ৪ হাজার ৭ শত ৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত
হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী মনোয়ার হোসেন খোকন (আওয়ামীলীগ)
নৌকা প্রতীকে ৪ হাজার ১ শত ৫ ভোট, হুমায়ন কবির খোকা (বিএনপি বিদ্রোহী )
মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৬ শত ৯৪ ভোট, আবুল কালাম আজাদ
(স্বতন্ত্র জামায়াত) আনারস প্রতীকে ২ হাজার ১ শত ৯ ভোট, আব্দুর রাজ্জাক
(স্বতন্ত্র জামায়াত বিদ্রোহী) চশমা প্রতীকে ১ হাজার ৫ শত ৮ ভোট। মালঞ্চা
ইউনিয়নে আব্দুল মোত্তালিব (বিএনপি) ধানের শীষ প্রতীকে ৬ হাজার ৮ শত ৬৩ ভোট
পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল
হাকিম (আওয়ামীলীগ) নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৬ শত ১০ ভোট, আব্দুল গনি
(স্বতন্ত্র জামায়াত) আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৮১ ভোট, এনামূল হক
(ইসলামী অন্দোলন বাংলাদেশ) হাত পাখা প্রতীকে ২ শত ৩৫ ভোট, লিয়াকত আলী
(জাপা) লাঙ্গল প্রতীকে ৭৬ ভোট এবং হেফজুল বারী (জাসদ) মশাল প্রতীকে পেয়েছেন
৫৮ ভোট। উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে মোট ৩৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী
প্রতিদ্বন্দিতা করেন।
কাহালুর ৮টি ইউ পি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ-৩, বিএনপি-৩ ও বিদ্রোহী-২ জন নির্বাচিত হয়েছে
কাহালুর ৮টি ইউ পি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ-৩, বিএনপি-৩ ও আওয়ামীলীগ
(বিদ্রোহী)-২ জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। নব-নির্বাচিত
চেয়ারম্যানরা হলেন কাহালুর নারহট্র ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত রুহুল আমিন
তালুকদার বেলাল, মুরইল ইউনিয়নে হারেজ উদ্দিন, পাইকড় ইউনিয়নে মিটু চৌধুরী,
বিএনপি মনোনীত বীরকেদার ইউনিয়নে ছেলিম উদ্দিন, মালঞ্চা ইউনিয়নে আব্দুল
মোত্তালিব, জামগ্রাম ইউনিয়নে আলমগীর আলম (কামাল), আওয়ামীলীগ (বিদ্রোহী)
হিসেবে কাহালু সদর ইউনিয়নে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সহকারি অধ্যাপক পি এম
বেলাল হোসেন, কালাই ইউনিয়নে উপজেলা শ্রমিকলীগনেতা আবু তাহের সরদার
(হান্নান)।
কাহালুর ৮ ইউপি নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিতঃ চাকুসহ আটক যুবকের জেল
শনিবার বগুড়ার কাহালু উপজেলার ৮ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও
উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। কাহালু সদর ইউনিয়ন পরিষদের শাকোহালী
ভোটকেন্দ্রের আশে-পাশে চাকুসহ আটক শাহ আলম (২০) নামের এক যুবককে ভ্রাম্যমান
আদালতে ২ মাসের জেল দেওয়া হয়েছে। এদিকে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পৌর
মেয়র আলহাজ্ব হেলাল উদ্দিন কবিরাজ তার নিজস্ব কার নিয়ে কাহালু ইউপির গিরাইল
কেন্দ্রে যাওয়ার পথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তার গাড়ী আটক করে। এরিপোট
লেখাকালীন সময়ে ভোটকেন্দ্রে ভোট গননার কাজ চলছে। নির্বাচন চলাকালীন সময়
যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ছিলো তৎপর । এনির্বাচনে
ক্ষমতাসীন দলসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থী অংশ নিলেও চেয়ারম্যান প্রার্থীদের
মুখে তেমন কোনো অভিযোগ শোনা যায়নি। তবে নারহট্ট ইউপির লহরাপাড়া ভোটকেন্দ্র
থেকে মেম্বার প্রার্থী ইব্রাহীমের এজেন্টদের বের করে দেয় বলে অভিযোগ তোলা
হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট বিজিপি, র্যাব সেখানে ছুটে যান।
ইব্রাহিম জানান, তার এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বের করে দেয় মেম্বার প্রার্থী
হারুনের লোকজন। প্রশাসন এই ধরনের কোনো তথ্য না পেলেও ঐ কেন্দ্রে
ইব্রাহিমের কোনো এজেন্ট পাওয়া যায়নি। উপজেলা নির্বাচন অফিসার জাকির হোসেন,
কাহালু থানার ওসি নুর এ আলম সিদ্দিকী ও উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোছাঃ
তাছলিমা খাতুন জানান, এখানে ৮ ইউপি নির্বাচন শতভাগ সুষ্ঠ, অবাধ ও নিরপেক্ষ
হয়েছে। উল্লেখ্য যে, উপজেলার ৮ ইউপি নির্বাচন ৩৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী,
৮৯ জন সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার প্রার্থী ও ২৪৫ জন সাধারন মেম্বার প্রার্থী
প্রতিদ্বন্দিতা করেন।
কাহালুতে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে এক গৃহবধূর আত্নহত্যা
কাহালু পৌর এলাকার সাগাটিয়া গ্রামে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে তানজিলা (২৫)
নামক এক গৃহবধূ আত্নহত্যা করেছে। স্থানীয় লোকজন জানান, গতকাল মঙ্গলবার
সকালে সাগাটিয়া গ্রামের হাছেন আলী মেয়ে তানজিলা তার পিতার বাড়ীতে সবার
অজান্তে গ্যাসের ট্যাবলেট খায়। গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়ার কথা জানাজানি হলে
বাড়ীর লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে সে
মারা যান। সে উপজেলার ধাওয়াপাড়া গ্রামের মিন্টুর স্ত্রী। এ রির্পোট লেখা
পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি।
কাহালুর ৮ ইউপি নির্বাচনে ৩৬৯ প্রার্থীঃ ৭৩ টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫০ টি ঝুঁকিপূর্ণ
২৮ মে কাহালু উপজেলার ৮ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে ৩৫ জন চেয়ারম্যান
প্রার্থী, ৮৯ জন সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার প্রার্থী ও ২৪৫ জন সাধারন মেম্বার
প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। ৮ ইউনিয়নের মোট কেন্দ্র সংখ্যা ৭৩ টি। এই
৭৩ কেন্দ্রের মধ্যে পুলিশের তথ্যমতে ২৩ টি ও বগুড়া ডি আই ওয়ানের বরাদ দিয়ে
বলা হয়েছে ৫০ টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। এদিকে অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ
নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় টহল দিচ্ছে। কেন্দ্রে
কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাদী পাঠানো জন্য বালট পেপারসহ সকল মালামাল
প্রস্তুত করা হচ্ছে। অপরদিকে গতকাল বিভিন্ন স্থানে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও
মহিলা প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে শেষ মুর্হুতে ভোট প্রার্থনা করছেন। গ্রামে
গ্রামে ভোটারদের মধ্যে লক্ষ করা গেছে ব্যপক উৎসাহ উদ্দিপনা। কোনো
প্রার্থীর ভোট যাতে কেউ টাকার বিনিময়ে কিনতে না পারে তার জন্য বিভিন্ন
গ্রামে প্রার্থীদের কর্মিরা পাহারা দিচ্ছে। কোনো কোনো এলাকায় এক প্রার্থীর
লোক অন্য প্রার্থীর লোকজনের সাথে কথা বলা পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছে। আবার
কোনো কোনো এলাকায় প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে দারুন সম্প্রীতি।
যে এলাকায় প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে সম্প্রীীত সেই এলাকায় নেই
কোনো উত্তেজন ও তর্ক-বিতর্ক। আবার যে. এলাকায় প্রতিদ্বন্দি
প্রার্থী-সমর্থকদের মধ্যে নেই সম্প্রীতি সেই এলাকায় উত্তেজনা ও
তর্ক-বিতর্কের ঘটনা ঘটছে। এরকম কিছু সমস্যা তাৎক্ষনিকভাবে মোকাবেলা করতে
হচ্ছে পুলিশদের। কাহালু থানার ওসি নুর এ আলম সিদ্দিকী জানান, নির্বাচন
সংক্রান্ত বিষয়ে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। কেউ আইন
ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





