কাহালু উপজেলার ৮ ইউপি নির্বাচনের পর কালাই ইউপির পিলকুঞ্জ, ঝাঞ্জারপাড়া,
মালঞ্চ ইউপির এরুইল ও মুরইল ইউনিয়নের ওলাহালী এলাকায় চেয়ারম্যান ও মেম্বার
প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটে। দোকান ও বসত বাড়িতে হামলা ও
ভাংচুরের ঘটনা পর্যন্ত ঘটেছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে দিনভরই
কাহালু থানা পুলিশ ছিলো বাস্ত। জানা গেছে কালাই ইউনিয়নের বিএনপির পরাজিত
প্রার্থী জাহেদুর রহমানের সমর্থকরা গত রবিবার পিলকুঞ্জ বাজারে মোহাম্মদ
আলীর হোটেলে ব্যপক তান্ডব চালিয়েছে। বিভিন্ন মালামাল ভাংচুরসহ ক্যাশ বাক্স
থেকে লুট করেছে প্রায় ১৪ হাজার টাকা।স্থানীয় দোকানদারসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের
লোকজনকে দেওয়া হচ্ছে নানা হুমকি। গতকাল সোমবার পিলকুঞ্জ বাজারে অনেকে ভয়ে
দোকানপাট খোলেনি। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে দোকানপাট খোলা হয়। তবে
হুমকি দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন পরাজিত প্রার্থী জাহেদুর রহমান। এদিকে
সোমবার পিলকুঞ্জ চকপাড়ার পরাজিত মেম্বার প্রার্থী ও ঝাঞ্জারপাড়ার বিজয়ী
মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কয়েক দফা মারপিটের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় আহত
হয়েছে বাবলু, মোসলেম, রিমা অপেলা, জিল্লুরসহ কয়েকজন। ঝাঞ্জারপাড়ার কয়েকটি
বাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। কালাই ইউপির অশান্ত পরিবেশ শান্ত করতে বিভিন্ন
গ্রামে ছুটে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবু তাহের সরদার হান্নান। অপরদিকে
মালঞ্চ ইউপির এরুইল পরাজিত মেম্বার প্রার্থী নজরুলের ও বিজয়ী প্রার্থী
জাহাঙ্গীরের সমর্থকদের মধ্যে এরুইল বাজারে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় বেশ
কয়েক জন গুরুত্বরভাবে আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে মুরইল ইউপির ওলাহালী
গ্রামেও মারপিটের ঘটনা পাওয়া গেছে। কাহালু থানার ওসি নুর এ আলম সিদ্দিকী
জানান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। কেউ আইন-শৃঙ্খলা
পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।

0 comments: