
গত শনিবার রাতে কাল বৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়েছে কাহালু উপজেলার পাঁচপীর ও আশে-পাশের কয়েকটি গ্রামের বসত বাড়ি, শিা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। ব্যপক য়তি হয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুতের খাম্বা-তার, বোরো ধান ও গাছপালার। ঝরের পর থেকে এরিপোট লেখা পর্যন্ত তিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুত সংযোগ রয়েছে বিচ্ছিন্ন। সরো জমিনে গিয়ে ল করা গেছে আড়োবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘর ভেঙ্গে রাস্তার উপর পড়ে আছে। শিার্থীদের বেঞ্চ ও স্কুলের সব ফার্নিচার লন্ডভন্ড হয়ে পড়ে রয়েছে। আলামের তাকিয়া স্কুল ও কলেজের ছাউনির বেশীরভাগ টিন উড়ে নিয়ে গেছে। পাঁচপীর মাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাচীর ভেঙ্গে গেছে। ব্যপক তি গয়েছে পাঁচপীর বাজার মসজিদ, অšরপুকুর বাজার মসজিদ, বামুজা মাদ্রাসার। কাহালু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্স এর উপড়ে বড় একটি গাছ পড়ে ছাদের কিছু অংশ ধসে গেছে। প্রত্যাপপুর বামুজা, পাঁচপীর বাজার, সিংগারপাড়া, আটাশি, পানদিঘী, কচুয়া, কাহালু উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে বসত বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যপক য়তি হয়েছে। পাঁচপীর এলাকায় একটি বিদ্যুতের খাম্বা ভেঙ্গে যাওয়াসহ বিভিন্ন স্থানে খাম্বা হেলে গেছে ও বিদ্যুতের তার ছিরে গেছে। বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে ও উপড়ে গেছে বড় বড় গাছপালা। উপজেলার বিভিন্ন মাঠে বোরো ধানের ব্যাপক তি হয়েছে। গতকাল রবিবার ঝড়ে তিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোছাঃ তাছলিমা খাতুন, দুর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহ্ মাসুদ হাসান র“নজু ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক বদর“জ্জামান খান বদের। উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোছাঃ তাছলিমা খাতুন জানান, য়তির পরিমান নিরুপন করে আমরা রিপোট পাঠাবো। স্থানীয় এমপি এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন জানান, জেলা প্রশাসকের কাছে বলা হয়েছে তিগ্রস্ত এলাকার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
0 comments: